রমজান মাস মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ফজিলতপূর্ণ একটি মাস। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য রমজানের প্রতিটি রোজা রাখা ফরজ। ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে রোজা অন্যতম। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের সকল মুসলিম প্রধান দেশগুলো একসাথে রমজান মাসের রোজা পালন করা হয়। প্রতিবছরে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে ২০২৬ সালের রোজা কত তারিখে শুরু হবে, রোজার নিয়ত কিভাবে করতে হবে, সময়সূচী কি এবং রোজা রাখার সঠিক পদ্ধতি কি? আমরা আজকে আমাদের এই পোষ্টের মাধ্যমে সহজ ভাষায় এবং বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব। আমাদের আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমরা শেয়ার করব বাংলাদেশের ৬৪ জেলার রমজান মাসের ক্যালেন্ডার। বাংলাদেশের ৬৪ জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ভিন্ন ভিন্ন সময়সূচী
বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলা সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সাধারণত কয়েক মিনিটের পার্থক্য দেখা যায় । বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার শাহারি ও ইফতারের সময়সূচিতে সাধারণত কয়েক মিনিটের পার্থক্য দেখা যায়। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে ঢাকার তুলনায় বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে ইফতার কিছুটা আগে এবং বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে একটু দেরিতে হয়।
তাই সঠিক সময় জানা না থাকলে আমাদের অনেক সময় সেহরি ও ইফতারের ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সঠিক সময় জানার জন্য নিজ নিজ জেলা নির্ভরযোগ্য রমজান ক্যালেন্ডার অনুসরণ করা জরুরী।আমাদের এ পোষ্টের মাধ্যমে আপনারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার ভিন্ন ভিন্ন রমজানের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি জানতে পারবেন
ঢাকা জেলার সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচি
আমরা এখন আলোচনা করব বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি নিয়ে। নিচের তালিকা থেকে দেখে নিন ঢাকা জেলার সেহরিও ইফতারের সময়সূচি।
| রোজা | তারিখ | সাহরির শেষ সময় | ইফতারের সময় |
|---|---|---|---|
| ০১ | ১৯ ফেব্রুয়ারি | ৫:১২ | ৫:৫৮ |
| ০২ | ২০ ফেব্রুয়ারি | ৫:১১ | ৫:৫৮ |
| ০৩ | ২১ ফেব্রুয়ারি | ৫:১১ | ৫:৫৯ |
| ০৪ | ২২ ফেব্রুয়ারি | ৫:১০ | ৫:৫৯ |
| ০৫ | ২৩ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৯ | ৬:০০ |
| ০৬ | ২৪ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৮ | ৬:০০ |
| ০৭ | ২৫ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৮ | ৬:০১ |
| ০৮ | ২৬ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৭ | ৬:০১ |
| ০৯ | ২৭ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৬ | ৬:০২ |
| ১০ | ২৮ ফেব্রুয়ারি | ৫:০৫ | ৬:০২ |
| ১১ | ০১ মার্চ | ৫:০৫ | ৬:০৩ |
| ১২ | ০২ মার্চ | ৫:০৪ | ৬:০৩ |
| ১৩ | ০৩ মার্চ | ৫:০৩ | ৬:০৪ |
| ১৪ | ০৪ মার্চ | ৫:০২ | ৬:০৪ |
| ১৫ | ০৫ মার্চ | ৫:০১ | ৬:০৫ |
| ১৬ | ০৬ মার্চ | ৫:০০ | ৬:০৫ |
| ১৭ | ০৭ মার্চ | ৪:৫৯ | ৬:০৬ |
| ১৮ | ০৮ মার্চ | ৪:৫৮ | ৬:০৬ |
| ১৯ | ০৯ মার্চ | ৪:৫৭ | ৬:০৭ |
| ২০ | ১০ মার্চ | ৪:৫৭ | ৬:০৭ |
| ২১ | ১১ মার্চ | ৪:৫৬ | ৬:০৮ |
| ২২ | ১২ মার্চ | ৪:৫৫ | ৬:০৮ |
| ২৩ | ১৩ মার্চ | ৪:৫৪ | ৬:০৯ |
| ২৪ | ১৪ মার্চ | ৪:৫৩ | ৬:০৯ |
| ২৫ | ১৫ মার্চ | ৪:৫২ | ৬:০৯ |
| ২৬ | ১৬ মার্চ | ৪:৫১ | ৬:১০ |
| ২৭ | ১৭ মার্চ | ৪:৫০ | ৬:১০ |
| ২৮ | ১৮ মার্চ | ৪:৪৯ | ৬:১০ |
| ২৯ | ১৯ মার্চ | ৪:৪৮ | ৬:১১ |
| ৩০ | ২০ মার্চ | ৪:৪৭ | ৬:১১ |
নোট: প্রতি সাহরির শেষ সময় সেটিই মূলত সালাতুল ফজরের ওয়াক্ত সময়। কিন্তু যেহেতু এই সময়সূচিটি পুরো জেলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, আর জেলার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সময়ের মাঝে ব্যবধান হয়ে থাকে, তাই পুরো জেলার জন্য একটি সময়সূচি প্রস্তুত করতে এ পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে। সাহরির জন্য জেলার পূর্ব প্রান্তের সূর্যোদয় সময় (সেকেন্ড বা মিনিট যোগ করে) উল্লেখ করা হয়েছে। ফজরের ওয়াক্তের জন্য জেলার মধ্যভাগের সময় (সেকেন্ড বা মিনিট যোগ করে) উল্লেখ করা হয়েছে এবং ইফতারের জন্য জেলার পশ্চিম প্রান্তের সূর্যাস্ত সময় (সেকেন্ড বা মিনিট বিয়োগ করে) উল্লেখ করা হয়েছে।
ঢাকা বিভাগের সাহ্রি ও ইফতারের সময়সূচী সংগ্রহ করুন এখান থেকে
ঢাকা বিভাগের সকল জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি এখান থেকে খুব সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন। আপনাদের সুবিধার্থে ঢাকা বিভাগের সকল জেলা সমূহের রমজানের সেহরি ও ইফতারের যে সময়সূচী নির্ধারণ করা হয়েছে তা এখানে দেওয়া আছে। আপনি আপনার জেলা অনুযায়ী এখান থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। এখানে দেওয়া সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি গুলো শুধুমাত্র ঢাকা বিভাগের ঢাকা জেলার জন্য প্রযোজ্য। আপনারা যারা আছেন তারা আমাদের ওয়েবসাইটের বিভিন্ন পোস্টে আপনার জেলা এবং বিভাগ অনুযায়ী রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি দেখে নিতে পারবেন।
📄 ঢাকা জেলা সাহরি ও ইফতারের সময়সূচী ২০২৬.pdf
লেখকের মন্তব্য
রমজান মাস আত্মশুদ্ধি, সংযম ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ সময়। তাই সঠিক সময়ে সেহরি গ্রহণ ও ইফতার করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ বাংলাদেশ অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে বাংলাদেশ এর সকল মুসলিম ভাই-বোন সহজেই নির্ভুল সময় জেনে রোজা পালন করতে পারেন। রমজানের প্রতিটি মুহূর্ত হোক ইবাদত, দোয়া ও নেক আমলে ভরপুর—এই কামনাই রইল।