আসসালামু আলাইকুম, আপনি কি চাকুরীজীবী নাকি একজন শিক্ষার্থী? আপনি যদি একজন চাকরিজীবী বা শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার অবশ্যই দরখাস্তের প্রয়োজন হয়ে থাকে। আপনি চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে কিংবা অফিসের বসকে ছুটির দরখাস্তের আবেদন করার জন্য দরখাস্ত লেখার নিয়ম খুঁজছেন।
আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা দরখাস্ত লেখার নিয়মসমূহ নিয়ে আলোচনা করব। শুধু আলোচনা নয়, আমরা দরখাস্ত লেখার নিয়ম ও নমুনাসমূহ নিয়েও আলোচনা করব। আমাদের জীবনে যে যে দরখাস্তগুলো লেখার প্রয়োজন হয়ে থাকে সেই দরখাস্তগুলো নমুনাসহ আজকে এই আর্টিকেলের মাধ্যমে প্রকাশ করব।
দরখাস্ত লেখার গুরুত্ব – দরখাস্ত কেনো লিখতে হয়
বর্তমান সময়ে দরখাস্তের গুরুত্ব অনেক। আগে একটা সময় ছিল যখন আমরা একটা সাদা কাগজের মধ্যে গতানুগতিক কিছু লেখার মাধ্যমে দরখাস্ত জমা দিতাম। কিন্তু সময় বদলে গেছে এখন। আগের সেই গতানুগতিক সাদা কাগজে নিজের ইচ্ছামতো লিখে দরখাস্ত জমা দিলে সেটা কখনো আপনার ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে না। বর্তমানে একটি সুন্দর দরখাস্ত আপনার ব্যক্তিত্ব ও পেশাদারিত্বকে ফুটিয়ে তোলে।
- শুদ্ধ ভাষা ও বানান – আপনাকে দরখাস্ত লিখতে হলে অবশ্যই আপনার লেখার মধ্যে শুদ্ধ ভাষা এবং আপনার দরখাস্তের বানানগুলো ঠিক থাকতে হবে।
- বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা – আপনি যে বিষয়ে দরখাস্ত লিখতে চাচ্ছেন সেই বিষয়বস্তুর প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরতে হবে।
- যথাযথ সম্বোধন – প্রাপকের পদমর্যাদা অনুযায়ী আপনাকে অবশ্যই তাকে যথাযথ সম্বোধন করতে হবে।
- যুক্তিসংগত কারণ – যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া দরখাস্ত লেখা যায় না তাই আপনাকে অবশ্যই আপনার দরখাস্তের মধ্যে আপনার যুক্তিসংগত কারণগুলো তুলে ধরতে হবে।
- ভদ্র ও মার্জিত ভাষা – দরখাস্তের মধ্যে অবশ্যই আপনাকে ভদ্র ও মার্জিত ভাষা ব্যবহার করতে হবে।
- প্রয়োজনীয় তথ্য সংযুক্তি – আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যবহার করে সংযুক্তি করতে হবে যাতে করে আপনার সম্পর্কে কিংবা আপনার আইডেন্টিটি যেন প্রকাশ পায়।
- উপযুক্ত সমাপ্তি – “বিনীত নিবেদক” বা অনুরূপ অন্য কোনো উপযুক্ত ভাষা ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার দরখাস্তের সমাপ্তি করতে হবে।
- পরিচ্ছন্ন উপস্থাপন – আপনার দরখাস্তের মধ্যে আপনাকে অবশ্যই পরিচ্ছন্ন উপস্থাপন করতে হবে।
দরখাস্ত লেখার নিয়মাবলী – ২০২৬
এখন আমরা দরখাস্ত লেখার বেশ কিছু নিয়মাবলী সম্পর্কে জানব। শুধুমাত্র একটা দরখাস্ত লিখে দিলে যে আপনার দরখাস্তটা পরিপূর্ণ হবে এমন ভাবা অনুচিত। দরখাস্ত লেখার সময় আপনাকে দরখাস্ত লেখার নিয়মাবলী সম্পর্কে জানতে হবে। দরখাস্ত লেখার প্রাসঙ্গিকতা আমরা যদি জানতে না পারি তাহলে আমরা একটা যথাযথ দরখাস্ত লিখতে পারবো না। তাই আমাদের অবশ্যই দরখাস্ত লেখার নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করার মাধ্যমে আপনি একটি পরিপূর্ণ দরখাস্ত লিখতে পারবেন।

- তারিখ উল্লেখ করতে হবে: দরখাস্ত লেখা শুরুতে আপনাকে অবশ্যই যেদিন আপনি দরখাস্তটি লিখতেছেন সেই দিনের তারিখটি উল্লেখ করতে হবে।
- প্রাপকের নাম, পদবি ও ঠিকানা লিখতে হবে: আপনি দরখাস্ত লেখার সময় প্রাপকের নাম, পদবি ও ঠিকানা লিখতে হবে। আপনি যার নিকট দরখাস্ত লেখতেছেন তার নাম, পদবি ও ঠিকানা সুন্দর ও গোছানোভাবে লিখতে হবে।
- বিষয় (Subject) সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে: আপনার দরখাস্তের বিষয় সংক্ষেপে উল্লেখ করতে হবে।
- উপযুক্ত সম্বোধন ব্যবহার করতে হবে: আপনি যার নিকট দরখাস্তটি আবেদন করতেছেন তার উপযুক্ত সম্বোধন ব্যবহার করতে হবে।
- মূল বক্তব্য স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে হবে: দরখাস্তের মধ্যে আপনার মূল বক্তব্য স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
- ভাষা সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিক হতে হবে: দরখাস্ত লেখার সময় আপনার ভাষা সংক্ষিপ্ত ও প্রাসঙ্গিক হতে হবে।
- বিনয়ী ও মার্জিত ভাষা ব্যবহার করতে হবে: দরখাস্ত লেখার সময় বিনয়ী ও মার্জিত ভাষা ব্যবহার করতে হবে।
- শুদ্ধ বানান ও ব্যাকরণ বজায় রাখতে হবে: দরখাস্ত লেখার সময় অবশ্যই শুদ্ধ বানান ও ব্যাকরণ বজায় রাখতে হবে।
- আবেদনের কারণ যুক্তিসংগতভাবে উল্লেখ করতে হবে: আপনার আবেদন করার কারণ যুক্তিসংগতভাবে উল্লেখ করতে হবে।
- অপ্রয়োজনীয় তথ্য পরিহার করতে হবে: প্রয়োজনের চাইতে অতিরিক্ত কোনো তথ্য দেওয়া যাবে না, তাই অপ্রয়োজনীয় তথ্য পরিহার করুন।
- উপযুক্ত সমাপ্তি বাক্য ব্যবহার করতে হবে: আপনার দরখাস্তটি লেখা শেষ হলে একটি উপযুক্ত সমাপ্তি বাক্য ব্যবহার করুন, এতে আপনার দরখাস্তটি আরও গঠনমূলক হবে।
- আবেদনকারীর নাম, শ্রেণি/পদবি (প্রযোজ্য হলে) উল্লেখ করতে হবে: দরখাস্ত লেখা শেষে আবেদনকারীর নাম, শ্রেণি কিংবা পদবি উল্লেখ করতে হবে।
- স্বাক্ষর দিতে হবে: দরখাস্ত লেখার শেষে অবশ্যই আবেদনকারীর স্বাক্ষর প্রদান করতে হবে।
দরখাস্ত লেখার নিয়ম – দরখাস্ত লেখার নমুনা
দরখাস্ত লেখার নিয়ম সম্পর্কে আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। এখন দরখাস্ত লেখার নিয়ম জানলেও আমরা অনেক সময় দরখাস্ত লেখার নমুনা খুঁজে থাকি। আমরা এখন দরখাস্ত লেখার বেশ কিছু নমুনা আপনাদের মাঝে তুলে ধরব, যেগুলো আপনারা আপনাদের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারবেন।
আমাদের এই নমুনার মধ্যে থাকবে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন, জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন, ছাড়পত্রের জন্য আবেদন, অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন, অফিসিয়াল ছুটির আবেদন, অগ্রিম ছুটির আবেদন, অফিসিয়াল ছুটির আবেদন (অনুপস্থিতির), জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর জিডি লেখার নিয়ম এবং চাকরির আবেদনপত্র লেখার নিয়ম।

সহকারী শিক্ষক পদে চাকরির আবেদন
তারিখ-১৭/০৬/২০২৬ খ্রিঃ
বরাবর,
সভাপতি মহোদয়
……………….. উচ্চ বিদ্যালয়
সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম
বিষয়ঃ সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য আবেদন।
জনাব,
যথাবিহীত সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, গত ০১/০৬/২০২৬ খ্রিঃ তারিখে “দৈনিক প্রথম আলো” পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আমি জানতে পারলাম যে, আপনার প্রতিষ্ঠানে “সহকারী শিক্ষক” পদে কিছু সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। আমি উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে নিম্নে আমার শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত ও আনুষাঙ্গিক তথ্যাদি আপনার নিকট উপস্থাপন করছি।
- নামঃ
- পিতার নামঃ
- মাতার নামঃ
- বর্তমান ঠিকানাঃ
- স্থায়ী ঠিকানাঃ
- জন্ম তারিখঃ
- জাতীয়তাঃ
- জাতীয় পরিচয় পত্র নংঃ
- বৈবাহিক অবস্থাঃ
- ধর্মঃ
- মোবাইল নাম্বারঃ
- রক্তের গ্রুপঃ
- শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ
| পরীক্ষার নাম | গ্রুপ/বিষয় | বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয় | পাশের সন | প্রাপ্ত গ্রেড |
|---|---|---|---|---|
| এসএসসি | কমার্স | চট্টগ্রাম | ২০০৮ | জিপিএ ৫ |
| এইচএসসি | কমার্স | চট্টগ্রাম | ২০১২ | জিপিএ ৫ |
| বিবিএ | হিসাববিজ্ঞান | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় | ২০১৭ | সিজিপিএ ৩.৭৫ |
| মাস্টার্স | হিসাববিজ্ঞান | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় | ২০১৮ | প্রথম শ্রেণী |
অতএব, মহোদয়ের নিকট বিনীত আবেদন এই যে, উল্লেখিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনাপূর্বক উক্ত পদের একজন প্রার্থী হিসেবে আমাকে মনোনীত করতে আপনার মর্জি হয়।
বিনীত
(হাসনাত রায়হান)
মোবাঃ +৮৮ ০১৭১০-০০০০০০
সংযুক্তিঃ
- পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি ২ কপি।
- সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি।
- চারিত্রিক সনদপত্র।
- নাগরিকত্ব সনদপত্র।
- জাতীয় পরিচয় পত্র অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদপত্রের সত্যায়িত অনুলিপি।
- ১০০০ টাকার ব্যাংক ড্রাফট।
জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন
তারিখ-০২/০৬/২০২৬ খ্রিঃ
বরাবর
অধ্যক্ষ মহোদয়
……………….. কলেজ
সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম
বিষয়ঃ জরিমানা মওকুফের জন্য আবেদন।
জনাব,
সশ্রদ্ধ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি হাসনাত রায়হান, আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণির একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমার পারিবারিক আর্থিক সংকট এবং আমার পিতার দীর্ঘদিনের শারীরিক অসুস্থতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কলেজের বেতন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ফি পরিশোধ করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য যে, আমার বাবা আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্য ছিলেন। তাঁর আয়ের মাধ্যমেই পরিবারের সকল সদস্যের ভরণ-পোষণ, চিকিৎসা ও শিক্ষা-সংক্রান্ত সকল ব্যয় নির্বাহ করা হয়। বর্তমানে তাঁর অসুস্থতার কারণে পারিবারিক আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যার ফলে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
অতএব, মহোদয় নিকট আকুল আবেদন যে, আমার পিতার অসুস্থতা ও পরিবারের আর্থিক সমস্যার কথা বিবেচনা করে জরিমানা ছাড়া সকল ফি ও বেতন প্রদানের অনুমতি প্রদানে আপনার সদয় মর্জি কামনা করছি।
বিনীত
আপনার একান্ত বাধ্যগত
(হাসনাত রায়হান)
শ্রেণী-
বিভাগ-
রোল নং-
ছাড়পত্রের জন্য আবেদন
তারিখ-০২/০৬/২০২৬ খ্রিঃ
বরাবর
অধ্যক্ষ মহোদয়
……………….. কলেজ
সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম
বিষয়ঃ ছাড়পত্রের জন্য আবেদন।
জনাব,
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি হাসনাত রায়হান, আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণির একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী। আমার পিতা একজন সরকারি চাকরিজীবী। তাঁর বর্তমান কর্মস্থল সীতাকুন্ড উপজেলা হতে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বদলি হওয়ায় আপনার বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করা সম্ভব হবে না।
অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল প্রার্থনা যে, আমার উপরোক্ত সমস্যার বিষয়টি বিবেচনা করে সকল বকেয়া বেতন ও ফি পরিশোধপূর্বক আমাকে ছাড়পত্র প্রদানের জন্য আপনার সদয় অনুমতি প্রার্থনা করছি।
বিনীত
আপনার একান্ত বাধ্যগত
(হাসনাত রায়হান)
শ্রেণী-
বিভাগ-
রোল নং-
অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন
তারিখ-০২/০৬/২০২৬ খ্রিঃ
বরাবর
অধ্যক্ষ মহোদয়
……………….. কলেজ
সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম
বিষয়ঃ অনুপস্থিতির জন্য ছুটির আবেদন।
জনাব,
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি হাসনাত রায়হান, আপনার কলেজের একাদশ শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আমার শারীরিক অসুস্থতার কারণে গত ০১/০১/২০২৬ খ্রিঃ হতে ০৪/০১/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৪ (চার) দিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারিনি।
অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, আমার অসুস্থতার বিষয়টি মানবিক বিবেচনা করে আমাকে ০৪ (চার) দিনের ছুটি দানে বাধিত করবেন।
বিনীত
আপনার একান্ত বাধ্যগত
(হাসনাত রায়হান)
শ্রেণী-
বিভাগ-
রোল নং-
অগ্রিম ছুটির আবেদন
তারিখ-০২/০৬/২০২৬ খ্রিঃ
বরাবর
অধ্যক্ষ মহোদয়
……………….. কলেজ
সীতাকুন্ড, চট্টগ্রাম
বিষয়ঃ অগ্রিম ছুটির আবেদন।
জনাব,
সবিনয় বিনীত নিবেদন এই যে, আমি হাসনাত রায়হান, আপনার বিদ্যালয়ের একাদশ শ্রেণির একজন নিয়মিত ছাত্র। আগামী ০১/০১/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ আমার বড় বোনের শুভ বিবাহ অনুষ্ঠিত হবে বিধায় ০১/০১/২০২৬ খ্রিঃ হতে ০৩/০১/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ পর্যন্ত মোট ০৩ (তিন) দিন কলেজে উপস্থিত থাকতে পারব না।
অতএব, মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন এই যে, উপরোল্লিখিত বিষয়াদি বিবেচনাপূর্বক আমাকে ০৩ (তিন) দিনের অগ্রিম ছুটি প্রদান করতে আপনার মর্জি হয়।
বিনীত
আপনার একান্ত বাধ্যগত
(হাসনাত রায়হান)
শ্রেণী-
বিভাগ-
রোল নং-
জাতীয় পরিচয়পত্র হারানোর জিডি লেখার নিয়ম
তারিখ: (আবেদনের তারিখ লিখুন)
বরাবর,
অফিসার ইনচার্জ
থানার নাম (আপনার থানার নাম লিখুন)
উপজেলা, জেলা। (আপনার উপজেলা ও জেলার নাম লিখুন)
বিষয়ঃ সাধারণ ডায়েরির জন্য আবেদন।
জনাব,
সশ্রদ্ধ সম্মানপূর্বক নিবেদন এই যে, আমি (আপনার নাম), বয়স (বয়স), পিতা/স্বামী: (পিতা বা স্বামীর নাম)। আমার স্থায়ী ঠিকানা গ্রাম: (গ্রামের নাম), ডাকঘর: (ডাকঘরের নাম), উপজেলা: (উপজেলার নাম), জেলা: (জেলার নাম)।
আমি আপনার থানায় উপস্থিত হয়ে বিনীতভাবে অবগত করছি যে, গত (হারানোর তারিখ) তারিখে নিজ বাড়ি অথবা অন্যত্র যাতায়াতের সময় আমার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) হারিয়ে যায়। পরিচয়পত্রটির নম্বর ছিল (জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর)। হারিয়ে যাওয়ার পর সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েও এখন পর্যন্ত তা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
এমতাবস্থায়, ভবিষ্যতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা এড়াতে এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার স্বার্থে বিষয়টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নথিভুক্ত করার জন্য আপনার সদয় সহযোগিতা কামনা করছি।
অতএব, উপরোক্ত বিষয়ে সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করতে আপনার সদয় মর্জি হয়।
নিবেদক
এখানে আপনার স্বাক্ষর
(এখানে আপনার নাম)
মোবাইলঃ (এখানে আপনার মোবাইল নম্বর লিখুন)
ঠিকানাঃ (এখানে আপনার ঠিকানা লিখুন)





